This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label Agriculture. Show all posts
Showing posts with label Agriculture. Show all posts

Friday, October 23, 2015

ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র

 ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র


ভূমিকাঃ আমাদের দেশের গবাদি পশুর প্রধান খাদ্য হল খড়। কিন্তু খড়ের পুষ্টিমান খুবই কম। তাই খড়ের পুষ্টিমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা ইনষ্টিটিউই দীর্ঘ গবেষণা ও কৃষক পর্যায়ে যাচাই করে দেশে প্রাপ্ত খড়, ইউরিয়া ও চিটাগুড়ের মিশ্রণে তৈরী করেছে ইউ, এম, এস, গো-খাদ্য প্রযুক্তিটি। এটি ইউ রিয়া, মোলাসেস এবং খড় (স্ট্র) এর একটি মিশ্রিত খাবার যা গরুকে প্রতিদিন শুকনা খড়ের পরিবর্তে চাহিদামস খাওয়ানো যায়।
ইউ. এম. এস. তৈরীর পদ্ধতিঃ
  • ইউ,এম,এস তৈরীর প্রথম শর্ত হল এ উপাদনগুলির অনুপাত সর্বদা সঠিক রাখতে হবে অর্থাৎ ১০০ ভাগ ইউ,এম, এস এর শুষ্ক পর্দাথের মধ্যে ৮২ ভাগ খড়, ১৫ ভাগ মোলাসেস এবং ৩ ভাগ ইউরিয়া থাকতে হবে।
  • সহজ ভাষায় যতটুকু খড় মিশ্রিত করব তার অর্ধেক পরিমাণ পানি, পানির অর্ধেক পরিমাণ মোলাসেস/নালী/চিটা এবং প্রতি কেজি খড়ের জন্য ৩০ গ্রাম ইউরিয়া নিতে হবে যেমন ১০ কেজি খড়ের জন্য ৫ লিটার পানি, ২.৫ কেজি মোলাসেস এবং ৩০০ গ্রাম (১০x৩০গ্রাম) ইউরিয়া লাগবে।
  • প্রথমে খড়, মোলাসেস ইউরিয়া পরিমান মেপে নিতে হবে।
  • মোলাসেস ও ইউরিয়া ওজনের পর প্রয়োজন মত পরিস্কার পানিতে এমনভাবে মিশাতে হবে যাতে সম্পূর্ণ দ্রবণটুকু খড়ের সাথে সহজে মিশানো যায়।
  • শুকনো খড়কে পলিখিন বিছানো বা পাকা মেঝেতে সমভাবে বিছিয়ে ইউরিয়া মোলাসেস দ্রবণটি আস্তে আস্তে ঝরনা বা হাত দিয়ে ছিটিয়ে দিতে হবে এবং সাথে সাথে খড়কে উল্টিয়ে দিতে হবে যাতে খড় দ্রবন চুষে নেয়। এভাবে স্তরে স্তরে খড় সাজাতে হবে এবং ইউরিয়া মোলাসেস দ্রবন সমভাবে মিশিয়ে নিতে হবে
শুকনো খড়                     পানি                                চিটা/নালী গুড়                      ইউরিয়া
৫ কেজি                   ২.৫ থেকে ৩.৫ লিটার                    ১কেজি ২০০ গ্রাম                      ১৫০ গ্রাম
১০ কেজি                 ৫থেকে ৭ লিটার                            ২ কেজি ৪০০ গ্রাম                     ৩০০ গ্রাম
২০ কেজি                 ১০ থেকে ১৪ লিটার                       ৪ কেজি ৪০০ গ্রাম                     ৬০০ গ্রাম
৫০ কেজি                 ২৫ থেকে ৩৫ লিটার                      ১২ কেজি                                 ২ কেজি
১০০  কেজি              ৫০ কেজি ৭০ লিটার                      ২৪ কেজি                                  ৩ কেজি
ব্যবহার পদ্ধতিঃ
  • ইউরিয়া মোলাসেস খড় সঙ্গে সঙ্গে গরুকে খাওয়ানো যায় অথবা একবারে ২/৩ দিনে তৈরী খড় সংরক্ষণ করে আস্তে আস্তে খাওয়ানো যায়।
  • তবে ২/৩ দিনের খড় একবারে তৈরী করলে ইউ এম এস পলিথিন দ্বারা ভালভাবে ঢেকে রাখতে হবে।
খাওয়ানোর পরিমানঃ গরুকে তার ইচ্ছ অনুযায়ী, অর্থাৎ গরু পরিমান থেতে পারে পরিমাণ ইউ এমএস সরবাহ করতে হবে। তবে গরুকে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত করিয়ে নেওয়া ভাল।
আয়-ব্যয়ঃ খড়ের দাম বাদ দিলে ইউরিয়া, মোলাসেস ও শ্রমিক খরচ বাবদ কেজি প্রতি ইউ, এম, এস খরচ ০.৬৫ হতে ০.৭৫ টাকা। মোলাসেস ও শ্রমিকের উপর এই খরচ নির্ভর করবে। এ পদ্ধতিতে খড়ের সঙ্গে ১.০০ টাকার মোলাসেস খাইয়ে প্রায় ৫.০০ টাকা মূল্যের গরুর মাংস উৎপাদন সম্ভব।
প্রযুক্তি ব্যবহারে সর্তকতাঃ অবশ্যই ইউ, এম.এস তৈরী করার সময় ইউরিয়া, মোলাসেস, খড় ও পানির অনুপাত ঠিক রাখতে হবে। ইউরিয়ার মাত্রা কোন অবস্থাতেই বাড়ানো যাবে ন। ইউ,এম,এস এর গঠন পরিবর্তন করলে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাবে না।
 তথ্য:  তথ্য আপা প্রকল্প

Thursday, October 22, 2015

ওয়েবে কৃষি বিষয়ক তথ্য ভান্ডার

ওয়েবে কৃষি বিষয়ক তথ্য ভান্ডার


বাংলা ভাষায় কৃষি বিষয়ক তথ্যে সমৃদ্ধ হচ্ছে ভার্চুয়াল জগৎ। কৃষিনির্ভর দেশে কৃষি নিয়ে যারা গবেষণা করেন এবং যারা সরাসরি এ পেশার সাথে জড়িত তাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তথ্যের প্রয়োজন হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এ বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগ লক্ষ্য করার মত। কৃষি তথ্য সবার হাতের নাগালে পৌছাতে ইন্টারনেটে এ বিষয়ে রয়েছে বিশাল তথ্যভান্ডার। প্রয়োজনীয় তথ্য সন্ধানের পাশাপাশি কৃষি সম্পর্কে নানা সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক ওয়েবসাইটে রয়েছে সরাসরি যোগাযোগ এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়ার সুবিধা।
ইন্টারনেটে এখন কৃষি বিষয়ে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে, কিছু ইংরেজী ভাষার পাশাপাশি বেশিরভাগই বাংলা ভাষায় তথ্য সেবা দিয়ে আসছে। সাধারণদের সুবিধার্থে এসব ওয়েবসাইটে পুরো বাংলায় পাওয়া যাচ্ছে কৃষিতথ্য। গ্রামীণ মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার স্লোগানে ইন্টারনেটে রয়েছে রুরালইনফো (www.ruralinfobd.com)। কৃষিতথ্যের পাশাপাশি নানা বিষয়ে সমৃদ্ধ এ ওয়েবসাইটে সফল কৃষকদের কাহিনি, কৃষিবিষয়ক ব্যবসা সম্পর্কিত নানা তথ্য পাওয়া যাবে এতে। পাশাপাশি শস্য, ফল, মৎস্য, পশুসহ প্রতিটি বিষয়ে রয়েছে আলাদা তথ্য। ধান উৎপাদনে কী লাগবে, গম কিংবা অন্যান্য শস্যের ক্ষেত্রে কী প্রয়োজন, মসলা, ঔষধি, ফলদ গাছ ইত্যাদিরও চাষ পদ্ধতির নানা তথ্য রয়েছে এ ওয়েবসাইটে।E-Agriculture
বাংলা ভাষায় কৃষি তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ অ্যাগ্রোবাংলার (www.agrobangla.com) ওয়েবসাইটে ধান, আলু, শাকসবজি, সারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আর পরামর্শ রয়েছে। এ ছাড়া এ সাইটে কৃষিতথ্য বিভাগে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফলমূল ও শাকসবজি চাষ, বাড়ির ছাদে টবে ধান, সবজি, ফুল চাষ পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নানা তথ্যও রয়েছে। মৎস চাষ বিভাগে বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষের তথ্যের পাশাপাশি পোনা চাষ, প্রজনন-পদ্ধতিসহ অ্যাকুরিয়ামে চাষের পদ্ধতি রয়েছে। এ সাইটে গবাদিপশু ও পাখি পালন বিভাগে বিভিন্ন ধরনের গবাদি পশু পালন-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি রয়েছে পাখিপালন-বিষয়ক তথ্য। আরও আছে কৃষি ও পরিবেশ বিষয়ক প্রতিবেদন, কৃষি সাফল্যগাঁথা ইত্যাদি। শিগগিরই যুক্ত হবে ই-বাজার, যেখানে থাকবে কৃষিপণ্যের সর্বশেষ বাজারদর।
কৃষি বিষয়ক তথ্যকে সমৃদ্ধ করতে সরকারি উদ্যোগে চালু হয়েছে কৃষি তথ্য সেবার (www.ais.gov.bd) ওয়েবসাইট। শুধু কৃষিবিষয়ক সর্বশেষ তথ্যসুবিধা দিতেই চালু হওয়া এ ওয়েবসাইটে কৃষিতথ্য, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ, কৃষি প্রকাশনাসহ সব ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তৈরি এ সাইটে ভিডিওচিত্রে তথ্যসেবা, ই-কৃষিতে নানা ধরনের ফসলের তথ্যও রয়েছে। বর্তমানে কৃষিবিষয়ক সব ধরনের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে এ ওয়েবসাইটে।
কৃষিবিষয়ক নানা সমস্যা, যেমন পোকা আক্রমণ, ফসলের রোগ ইত্যাদি চিহ্নিতকরণ আর সমাধানের তথ্যাদি নিয়ে চালু হওয়া ই-কৃষক (www.ekrishok.com) ওয়েবসাইটে তথ্যের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতামত পাওয়ার সুবিধা রয়েছে। কৃষক, গবেষক, শিক্ষার্থীসহ কৃষিসংশ্লিষ্ট সবার জন্য কৃষি তথ্যসুবিধা নিয়ে রয়েছে কৃষি বাংলা (www.krishibangla.com) ঠিকানার ওয়েবসাইট। কৃষি পরিবেশ, ফসল উৎপাদন, অন্যান্য কৃষি প্রযুক্তির নানা বিষয়ের পাশাপাশি এ সাইটে রয়েছে কৃষি উন্নয়ন সহযোগী, কৃষি আইন ও নীতিমালা, কৃষিবিষয়ক সংগঠন আর কৃষিবিষয়ক বইয়ের তথ্য।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.moa.gov.bd) রয়েছে কৃষিবিষয়ক নানা তথ্যের সম্ভার। বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পের খবর, ফসল বীজ আর সারের তথ্যাদিও পাওয়া যাবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে। এ ছাড়া এ সাইটে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি পরিসংখ্যান, কৃষি যন্ত্রপাতি, ফসল উৎপাদনের পানি ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়ার তথ্যও পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ওয়েবসাইটে (www.badc.gov.bd) পাওয়া যাবে কৃষি সমাচার, বীজের দাম, বিক্রয়কেন্দ্র, সারের বিস্তারিত তথ্যাদি। পাশাপাশি ধান সহ নানা কৃষিপণ্যের তথ্যও পাওয়া যাবে এ ওয়েবসাইটে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের তৈরি ধানবিষয়ক ডিজিটাল তথ্যভান্ডার (www.knowledgebank-brri.org) ওয়েবসাইটে ধানের জাত ও চাষ পদ্ধতি, মাটি ও সার ব্যবস্থাপনা, বীজ উৎপাদন, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক ধান চাষের কলাকৌশল, ধান উৎপাদন প্রশিক্ষণবিষয়ক বইও পাওয়া এখান থেকে। বিভিন্ন কৃষি গবেষণা আর কৃষিবিষয়ক বইয়ের পাশাপাশি সার-ব্যবস্থাপনা, জাতীয় কৃষি নীতিমালা, জাতীয় সার নীতিমালার তথ্যাদি পাওয়া যাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (www.dae.gov.bd) ওয়েবসাইটে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউটের (www.bari.gov.bd) ওয়েবসাইটে কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে রয়েছে গবেষণা তথ্য। এ প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্যও পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে (www.bina.gov.bd) পাওয়া যাবে কৃষি প্রযুক্তি, মৃত্তিকা বিজ্ঞানসহ নানা বিষয়। কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বীজ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে বীজ প্রত্যয়ন সংস্থার (www.sca.gov.bd) ওয়েবসাইটে। পাশাপাশি বীজের নীতিমালা, উন্নত বীজসহ বীজ রোপণের নিয়মাবলির তথ্যাদিও পাওয়া যাবে।
কৃষি ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য প্রতিনিয়ত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এজন্য সাম্প্রতিক তথ্য জানা না থাকলে উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় কৃষিক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব নয়। আর এসব তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছানোর অন্যতম একটি সহজ উপায় হচ্ছে ওয়েবসাইট।